ক্যাথোড রে অসিলোস্কোপ ( ইংরেজি: Oscilloscope) বা  পরিবর্তনবীক্ষক একটি ইলেকট্রনিক পরীক্ষণ যন্ত্র যার মাধ্যমে কোনো বৈদ্যুতিক ভোল্টেজের বা বিভবের ক্রমাগত পরিবর্তন অবলোকন করা যায়।

অসিলােস্কোপের কন্ট্রোল নবসমূহ (List the Control Knobs of Oscilloscope)

ক্যাথােড রে অসিলােস্কোপের সংক্ষিপ্ত নাম সি.আর.ও. (CRO)। এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যার সাহায্যে সিগনাল ওয়েভের আকৃতি দৃশ্যমান হয়। অসিলােস্কোপের মূল অংশ বা হার্ট (Heart) হলাে ক্যাথােড রে টিউব (CRT)। ক্যাথােড রে টিউবের ক্যাথােড হতে প্রচুর ইলেকট্রন নির্গত হয়। এ ইলেকট্রনগুলাে উচ্চ গতি প্রাপ্ত হয়ে ফ্লোরেসেন্ট পর্দায় বীম আকারে অবিরত আঘাত করে। ইলেকট্রন বীম পর্দার যেখানে আঘাত করে সেখানে আলােক রশ্মির উদ্ভব হয়। এটি টিউবের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় ডিফ্রেকটেড হয় এবং সিগনাল ওয়েভের আকৃতির ন্যায় পর্দায় আলােক রেখা দৃশ্যমান হয়।

ক্যাথােড রে অসিলােস্কোপের প্রধান অংশসমূহ :

১। ক্যাথােড রে টিউব (CRT)।
২। হরাইজন্টাল এবং ভার্টিক্যাল ভােল্টজ অ্যামপ্লিফায়ার এবং ডিফ্লেকশন সিস্টেম
৩। পাওয়ার সাপ্লাই সার্কিট
৪। হরাইজন্টাল ডিফ্লেকশনের জন্য একটি সুইপ সার্কিট বা সুইপ জেনারেটর
৫। টাইম বেস সার্কিট

আসলােস্কোপের ফ্রন্ট প্যানেল কন্ট্রোল নবসমূহ নিম্নে বর্ণনা করা হলাে- ক্যাথোড রে অসিলোস্কোপ

১। ফোকাস কন্ট্রোল (Focus Control): ফোকাস কন্ট্রোল দ্বারা পর্দায় ছবির তীক্ষতা (Sharpness) বৃদ্ধি করা হয়।

২। ইন্টেনসিটি কন্ট্রোল (Intensity Control): এর মাধ্যমে অসিলােস্কোপের পর্দায় ছবির উজ্জলতা।(Brightness) অ্যাডজাস্ট করা যায়। এটি ক্লক ওয়াইজ (Clockwise) ঘুরালে ছবির উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।

৩। চ্যানেল-১ পজিশন কন্ট্রোল (CH1 Position Control) : এ নবটি চ্যানেল 1 এর জন্য ভাটিক্যাল পজিশন কন্ট্রোল নব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একে ক্লক ওয়াইজ ঘুরালে পর্দায় প্রদর্শিত চিহ্নটি (Trace) ওপরে। এবং এন্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরালে নিচে নেমে আসে।

৪। x 5 ম্যাগ সুইচ (x 5MAG Switch):

এ সুইচটি x 5MAG পজিশনে স্থাপন করা হলে ভাটিক্যাল অক্ষের সেনসিটিভিটি 5 গুণ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে পরিমাপক ভােল্টেজের মান ভােল্ট/ডিভিশনে প্রদর্শিত মানের 1/5 গুণ হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সেনসিটিভিটি হবে 1 মি. ভাে./ডিভিশন।।

৫। ভার্টিক্যাল মােড সুইচ (v MODE Switch) : এ নবটির দ্বারা ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারের ডিসপ্লে মােড সিলেকট করা হয়।

৬। চ্যানেল-২ পজিশন কন্ট্রোল (CH2 position Control) : এ নবটি চ্যানেল-২ এর জন্য ভার্টিক্যাল পজিশন কন্ট্রোল নব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একে ক্লকওয়াইজ ঘুরালে পর্দায় প্রদর্শিত চিহ্ন (Trace) বা ওয়েভ ফরমটি ওপরে এবং এন্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরালে নিচে নেমে আসে।

৭। চ্যানেল-২ ইনভার্স সুইচ (CH2 INv Switch) : সুইচটি INV এ সিলেকট করা থাকলে চ্যানেল-২ এর সিগনাল পর্দায় চ্যানেল-১ এর সিগনালের ওপরে চলে যায়।

৮। হরাইজন্টাল পজিশন কন্ট্রোল (Horizontal position Control) : এ নবটি ক্লকওয়াইজ ঘুরালে পর্দায় প্রদর্শিত ওয়েভ ফরম ডানে এবং এন্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরালে বামে চলে আসে।

৯। ভ্যারিয়েবল (VARIABLE):

এ সুইচটি দ্বারা TIME/DIV সুইচের প্রতি স্টেপের সুইপ রেট নিয়ন্ত্রন করা যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্যারিয়েবল কন্ট্রোল নবটি ক্লক ওয়াইজ ডিরেকশনে ক্লিক শব্দ করে বন্ধ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত TIME/DIV ক্যালিব্রেশন সঠিক হবে না।

১০। x10 ম্যাগ সুইচ (x 1OMAG Switch) : সুইচটি X 1OMAG পজিশনে থাকলে সইপ টাইম 10 গুণ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে সুইপ টাইম TIME/DIV ইন্ডিকেটর মানের 1/10 গুণ হবে।

১১। ট্রিগার লেভেল কন্ট্রোল (Trigger LEVEL Control) : এ নবটি দ্বারা ট্রিগার সিগনালের অ্যামপ্ৰিচ্যড একেক ওয়াইজ ঘুরালে ট্রিগার পয়েন্ট ট্রিগার সিগনালের পজেটিভ পিকের (Peak) দিকে
অগ্রসর হয় এবং এন্টি-ক্লকওয়াইজ ঘুরালে নেগেটিভ পিকের দিকে অগ্রসর হয়।।

১২। ট্রিগার সােপ সুইচ (Trigger SLOPE switch): এ সুইচটি সুইপিংয়ের শুরুতে ট্রিগার সিগনালের পজেটিভ ও নেগেটিভ স্লেপ সিলেকশন করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

১৩। ট্রিগার মোড সুইচ (Trigger MODE switch):

এই সুইচটি ট্রিগারিং মোড সিলেকশনে ব্যবহৃত হয়। AUTO পজিশন ফ্রি রানিং সুইপ সিলেকশন করে। এক্ষেত্রে 25Hz অথবা এর চেয়ে উন্ন
সিগনালের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুইপ উৎপন্ন হয়।

১৪। উগার সাের্স সুইচ (Trigger soURCE switch); এ সুইচটি ট্রিগার সাের্স সিলেকশনে ব্যবহৃত হয়।

১৫। গ্রাউন্ড কানেক্টর (Ground connector) গ্রাউন্ড লিড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

১৬। টাইম/ডিভিশন সুইচ (TIME/Dy switch); এ সুইচটির মাধ্যমে সময় বা সুইপ রেট নিয় কর এ সুইচটিকে ক্লকওয়াইজ ঘুরালে স্টেপওয়াইজ সময় (TIME / DIV) কমে যায় এবং ফ্রিকুয়েন্সি বৃদ্ধি পায়।

১৭। প্রােৰ অ্যাডজাস্ট (PROBE ADJUST): এ সুইচটির মাধ্যমে প্রাৰ অডিজাস্টমেন্ট এবং ভাটার অ্যামপ্লিফায়ার ক্যালিব্রেশনের জন্য দ্রুত বর্ধিত স্কয়ার ওয়েভ পাওয়া যায় ।

১৮। এক্সটারনাল ট্রিগার ইনপুট কানেক্টর (ExT TRIG IN connector): ট্রিগার সাকিটে এক্সটারনাল টিগল সিগনাল সরবরাহের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে EXT TRIG IN টার্মিনাল এবং গ্রাউন্ডের মাঝে 250 ড্রেস (DC + PEAK AC) এর বেশি প্রয়ােগ করা উচিৎ নয়। এতে ‘অসিলোস্কোপ নষ্ট (Damage) হয়ে যেতে পারে।

১৯। ভ্যারিয়েবল কন্ট্রোলস (VARIABL controls): এ সুইচটি দ্বারা VOLTS DIV সুইচের প্রতি স্টেপে ডিরেকশন হ্যাক্টর অ্যাডজাস্ট করা যায়। যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্যারিয়েবল কন্ট্রোল নবটি ক্লকওয়াইজ ডিরেকশনে ক্লিক শব্দ করে বন্ধ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত VOLTS/DIV ক্যালিব্রেশন সঠিক হবে না।

২০। চ্যানেল-২ অথবা ওয়াই ইন কানেক্টর (CH2 or Y IN Connector):

এর মাধ্যমে চ্যানেল-২ এর ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারে অথবা x-y অপারেশনের সময় ৮-axis vertical) অ্যামপ্লিফায়ারে ইনপুট সিগনাল প্রয়ােগ করা হয়। এক্ষেত্রে চ্যানেল-১ টার্মিনাল এবং গ্রাউন্ডের মাঝে 4000 ভােল্ট । (DC+PEAK AC) এর বেশি প্রয়ােগ করা উচিৎ নয়। এতে অসিলোস্কোপ ড্যামেজ হতে পারে।

২১। চ্যানেল-২ ভােল্টস/ডিভিশন সুইচ (CH2 voLTS/DIV switch) : চ্যানেল-২ ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারে প্রয়ােগকৃত ইনপুট সিগনালের ক্যালিব্রেটেড ডিক্লেশন ফ্যাক্টর সিলেকশনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

২২। চ্যানেল-১ (চ্যানেল-২) এসিগ্রাউন্ড/ডিসি সুইচ (CH1 |cH2) AC/GND/Dc switch) : চ্যানেল-১ ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারে ইনপুট সিগনাল কাপলিং পদ্ধতি সিলেকশনে এটি ব্যবহৃত হয়।
AC পজিশন ইনপুট কানেক্টর এবং অ্যামপ্লিফায়ারের মাঝে ক্যাপাসিটর সংযুক্ত করে। ফলে ইনপুট সিগনালে কোন ডিসি কম্পােনেন্ট থাকে না। GND পজিশন অ্যামপ্লিফায়ারকে গ্রাউন্ডের সাথে সংযুক্ত করে।

২৩। চ্যানেল-১ অথবা এক্স হন কানেক্টর (CH1 or X IN Connector:

চ্যানেল-১ ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফানে অথবা X-axis (horizontal| অ্যামপ্লিফায়ারের X-Y অপারেশনে ইনপুট সিগনাল প্রয়ােগ করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে CH1 টার্মিনাল এবং গ্রাউন্ডে 400 ভােল্ট (DC PEAK AC) এর বেশি প্রয়ােগ করা উচিৎ নয়।

২৪। পাওয়ার সুইচ (Power Switch) : এর মাধ্যমে অসিলেস্কোপে পাওয়ার সরবরাহ করা হয়।

২৫। চ্যানেল-১ ভেন্টিস/ডিভিশন সুইচ (CH1 VOLTS/DIV Switch : চ্যানেল-১ ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারে প্রয়ােগকৃত ইনপুট সিগনালের ক্যালিব্রেটেড ডিফ্লেকশন ফ্যাকটর সিলেকশনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

২৬। পাওয়ার ল্যাম্প (Power lamp) : পাওয়ার অন অবস্থায় ল্যাম্পটি জ্বলতে থাকে। এতে বুঝা যায় অসিলােস্কোপে পাওয়ার সরবরাহ আছে।

২৭। টস রােটেশন (Trace rotation) : এ সুইচটির মাধ্যমে ট্রেস আলাইনমেন্ট অ্যাডজাস্ট করা হয়।সরাসরি হাত দ্বারা ঘুরানাে যায় না। একে ক্রু ড্রাইভার দ্বারা ঘুরাতে হয়।

ক্যাথােড রে অসিলােস্কোপের ব্যবহার

১। রেডিও টেলিভিশনের দোষ-ক্রটি নিরীক্ষণের কাজে।
২। ল্যাবরেটরীতে রিসার্চ এবং ডিজাইন কাজে।
৩। কারেন্ট, ভােল্টেজ এবং ফ্রিকুয়েন্সি পরিমাপে।
৪। সিগনাল ওয়েভের আকৃতি পর্যবেক্ষণ করার কাজে।
৫। পাওয়ার ফ্যাক্টর, ইম্পিডেন্স এবং ফেজ এ্যাঙ্গল পরিমাপে।

ক্যাথোড রে অসিলোস্কোপ ব্লক ডায়াগ্রামঃ

ক্যাথেড-রে অসিলােস্কোপের হৃদপিণ্ড হল ক্যাথােড রে টিউব। এটি ইলেকট্রন বিম তৈরি করে সামনের দিকে উচ্চ গতিতে ত্বরান্বিত (ধাবিত) করে এবং ডিফ্লেকশন সিস্টেমের মাধ্যমে বিমের বিক্ষেপণ (Deflection) ঘটিয়ে ফুরেমেন্ট স্ক্রিনে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালকে দৃশ্যমান করে। CRO পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সাহায্যে বিভিন্ন ইলেকট্রোডে
প্রয়ােজনীয় পরিমাণ বায়াস ভােল্টেজ প্রয়ােগ করা হয়।

CRO-এর ইনপুট সিগনালকে ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারের সাহায্যে ডিলে লাইনের মাধ্যমে (Delayline) Y-প্লেটো প্রয়ােগ করা হয় । টাইম বেস জেনারেটরের টাইমবেস ভােল্টেজকে হরিজনটাল অ্যামপ্লিফায়ারের সাহায্যে X-প্লেটে প্রয়ােগ করা হয়। টাইম বেস ভােল্টেজ তৈরি করার জন্য ট্রিগার সার্কিট হতে টাইম বেস জেনারেটর ট্রিগার করতে
হয়। ট্রিগার সার্কিটকে ভার্টিক্যাল অ্যামপ্লিফায়ারের আউটপুট হতে এক্সাইট করা হয়। ইলেকট্রন বিচ্ছুরণ এবং তা বিমে পরিণত করার জন্য লাে-ভােল্টেজ প্রয়ােজন। বিমকে উচ্চ গতি দানের জন্য
হাইভােল্টেজ (কয়েক হাজার) প্রয়ােজন এবং অন্যান্য কন্ট্রোল সার্কিটের জন্য কয়েকশত ভােল্টেজ প্রয়ােজন যা পাওয়ার সাপ্লাই হতে প্রয়ােগ করা হয়।

CRO এর সাহায্যে ভােল্টেজ ও কারেন্ট পরিমাপঃ

X-প্লেটে কোন ভােল্টেজ প্রয়ােগ না করে Y-প্লেটে D.C ভােল্টেজ প্রয়ােগ করলে পর্দায় আলােক বিন্দুটি উল্লম্বভাবে স্থির বিক্ষেপ দেয়। যেহেতু বিক্ষেপ ডিফেকশন ভােল্টেজের সমানুপাতিক। তাই উক্ত বিন্দুর বিক্ষেপ হিসাব করে একটি ধ্রুবক
দ্বারা গুণ করলেই D.C ভােল্টেজের পরিমাণ জানা যাবে। ধ্রুবকটি Volt/ Division নবটি থেকে জানা যাবে। অনুরূপভাবে x-পেটে কোন ভােলেজ প্রয়ােগ না করে Y প্লেটে A.C. ভােল্টেজ সরবরাহ দিলে পর্দায় একটি উলম্ব রেখা দেখা যাবে। উক্ত রেখার দৈর্ঘ্য (CRO পর্দায় ঘর সংখ্যা) কে ধ্রুবক দ্বারা (Volt/Division) গুণ করলে ওয়েভের পিক-টু-পিক ভােল্টেজ পাওয়া যাবে।

একে 22 দ্বারা ভাগ করলেই A.C. এর R.M.S ভােল্টেজ পাওয়া যাবে। কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য একটি জানা মানের রেজিস্ট্যান্স R সার্কিটের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।CRO-এর সাহায্যে এর ভােল্টেজ ড্রপ ‘V’ পরিমাপ করে ‘R’ দ্বারা ভাগ করলেই কারেন্ট পাওয়া যাবে। আবার X.plate এ সইপ ভােল্টেজ প্রয়ােগ করে Y প্লেটে A.C. সাইন ওয়েভ প্রয়ােগ করে উহা পর্দায় দৃশ্যমান করা হয়।

ফ্রিকুয়েন্সি পরিমাপঃ

যে Wave এর ফ্রিকুয়েন্সি পরিমাপ করতে হবে একে Y প্লেটে প্রয়ােগ করা হয়। X-Plate-এ সুইপ ভােল্টেজ প্রয়ােগ করে উক্ত Wave কে পর্দায় দৃশমান করা হয়। এখন একটি সাইকেলের দৈর্ঘ্য ঘর সংখ্যা হিসাবে করা হয়। উক্ত ঘর সংখ্যাকে (Time/Division) দ্বারা গুণ করলে টাইম পিরিয়ড পাওয়া যাবে।
টাইমপিরিয়ড, T = (প্রতি সাইকেলের দৈর্ঘ্য) x (টাইম/ডিভিশন)।

Facebook Comments